বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনৈতিক প্রচারণায় বিভ্রান্তিমূলক কার্যক্রম যেমন ব্যালট ছাপানো, বোরকা তৈরি, এনআইডি কার্ড ব্যবহার বা বিকাশে টাকা পাঠানোর প্রলোভন জনগণকে প্রভাবিত করতে পারবে না। তিনি সতর্ক করেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আজ সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মেহেদীবাগের বাসভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উদ্বেগজনক। পুলিশ ও নাগরিকদের যৌথভাবে কাজ করতে হবে। বিএনপি জনগণের দল, গণতন্ত্রের পক্ষে কাজ করে। পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করবে।”
বিএনপি জিতলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি জানান, “দলের আদর্শ ও ৩১ দফার সঙ্গে অন্যান্য দলের নীতি মিললে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কোয়ালিশন সরকার গঠনের বিষয় বিবেচনা করা হবে, যদিও সম্ভাবনা কম।”
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রামকে শুধু বাণিজ্যিক রাজধানী নয়, চট্টগ্রাম বন্দরকে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের মতো উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান চালু করা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতা ও সদস্যরা।
প্রার্থী তার ১১টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে উল্লেখ করেছেন:
বন্দর-পতেঙ্গায় ১,২০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ
বেকার তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ
চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি
পানীয় জলের যথাযথ ব্যবস্থা ও আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম
দীর্ঘমেয়াদি যানজট ও কনটেইনার জট নিরসন
ইপিজেড ও শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
টেকসই সড়ক ও নগর পরিকল্পনা
নাগরিক সেবা একীভূত ও ডিজিটালীকরণ
তিনি বলেন, এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রাম আধুনিক ও অগ্রগামী নগর হিসেবে গড়ে উঠবে।