স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলেও ব্রাজিলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বাতিল হওয়া গোল। এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফিফার কাছে অভিযোগ জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)।
ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম এস্তাদাও-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিনিসিয়ুসের গোল বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আপত্তি জানিয়েছে সিবিএফ। নিজেদের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে সংস্থাটি আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচে লিওনেল মেসির একটি গোলের উদাহরণও তুলে ধরেছে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ২২তম মিনিটে জ্যাক হেনরির কাছ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে গোল করেছিলেন ভিনিসিয়ুস। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় মেক্সিকান রেফারি সিজার রামোস গোলটি বাতিল করেন। তার মতে, বল দখলের আগে পেছন থেকে হেনরিকে ফাউল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
যদিও পরে আরও দুটি গোল করে দলের ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন ভিনিসিয়ুস। তবে বাতিল হওয়া গোলটি বহাল থাকলে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেতেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা। ম্যাচ শেষে এ নিয়ে আক্ষেপও প্রকাশ করেন তিনি।
সিবিএফের দাবি, বিশ্বকাপের মতো আসরে রেফারিংয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি, কিন্তু ভিনিসিয়ুসের গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত সেই মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাদের ভাষ্য, শুধু ব্রাজিল নয়, স্কটল্যান্ডের খেলোয়াড়রাও এ সিদ্ধান্তে বিস্মিত ছিলেন এবং মাঠে উপস্থিত কেউই ফাউল কিংবা গোল বাতিলের প্রত্যাশা করেননি।
ব্রাজিল তাদের অভিযোগে আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচের একটি ঘটনাও উল্লেখ করেছে। ওই ম্যাচে গোলের আগে অস্ট্রিয়ার সাভের শ্লাগারকে ট্যাকল করেছিলেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। অস্ট্রিয়ার খেলোয়াড়রা ফাউলের দাবি তুললেও রেফারি খেলা চালিয়ে যেতে বলেন। পরবর্তী আক্রমণ থেকেই গোল করেন লিওনেল মেসি এবং সেটি বহাল থাকে।
ব্রাজিলের প্রশ্ন, প্রায় একই ধরনের দুই ঘটনায় দুই রকম সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো? তাদের মতে, এমন অসঙ্গতিই বিশ্বকাপের মতো সর্বোচ্চ মঞ্চে নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।