শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, কেবল উচ্চশিক্ষার ওপর নির্ভর করে কর্মসংস্থানের সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। সবাইকে উচ্চশিক্ষিত করে বেকারত্বের কারখানা তৈরি করা যাবে না। এজন্য সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত লিডার্স ট্রেনিং সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে তারা শুধু দেশেই নয়, বৈশ্বিক পরিসরেও নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।
ড. এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকল ও প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল, মেধাতালিকা কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তনের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে রোটারি বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত লিডার্স ট্রেনিং সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদা বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই পাঠ্যবইয়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যাতে তারা শুধু দেশেই নয়, বৈশ্বিক পরিসরেও নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।
ড. এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকল ও প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর বিধান যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল, মেধাতালিকা কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তনের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।