বগুড়ায় বাড়ির পাশে পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল নেতার মধ্যে রক্তক্ষয়ী মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার নুনগোলা ইউনিয়নের দাড়িয়াল সোনারপাড়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এতে গুরুতর আহত এক নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত মানিক মিয়া বগুড়া সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব হোসেন সাগর, তাঁর বাবা আব্দুল হান্নান, চাচা আব্দুল মান্নান ও স্থানীয় বাসিন্দা স্বপ্না খাতুন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত শনিবারও বাড়ির ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শিহাবের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শিহাব হোসেন সাগর, তাঁর বাবা আব্দুল হান্নান, চাচা আব্দুল মান্নান ও স্থানীয় বাসিন্দা স্বপ্না খাতুন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে গত শনিবারও বাড়ির ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শিহাবের পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল।
ওই রাতেই দানিয়াল মহল্লার শাহীন মিয়ার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন বাদী হয়ে সদর থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মানিক মিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে হামলা, শ্লীলতাহানি ও লুটপাটের মতো গুরুতর বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল। মামলায় মানিক মিয়া ছাড়াও তাঁর ভাই মামুন, আলীম, সালাম, শামীম, আলামিন ও রিজুকে অভিযুক্ত করা হয়।
সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম শিপন জানান, ঘটনাটি সম্পূর্ণ বসতবাড়ির পানির ড্রেনেজ নিয়ে একটি পারিবারিক বিরোধ থেকে তৈরি হয়েছে। এই মারামারিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মানিক মিয়া নিজেও আঘাত পেয়েছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম শিপন জানান, ঘটনাটি সম্পূর্ণ বসতবাড়ির পানির ড্রেনেজ নিয়ে একটি পারিবারিক বিরোধ থেকে তৈরি হয়েছে। এই মারামারিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মানিক মিয়া নিজেও আঘাত পেয়েছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইব্রাহীম আলী জানান, থানায় পূর্বের একটি অভিযোগ দায়েরের পর আজ দুপক্ষের মধ্যে আবারও মারধরের বিষয়টি তাঁরা জানতে পেরেছেন। আহতরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং এই বিষয়ে নতুন করে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।