গাইবান্ধা সদর উপজেলা ১২নং কামারজানি ইউনিয়নে বিএনপি র ছবি ও নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ বিএনপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরার অভিযোগ উঠেছে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে। গোলাম আযম কামারজানি গোঘাট গ্রামের গোলাম মাওলার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নিজেকে মাঠ পর্যায়ে বিএনপির ঘনিষ্ঠ কর্মী ও সমাজসেবক দাবি করেন ,ব্যানার পোস্টার লাগালেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গোলাম আজয নিজেকে বিএনপি'র সম্ভাব্য চেয়ারম্যান হিসেবে প্রচার প্রচারণা চালালেও তার পরিবার রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত।
পাঁচ আগস্টের পর হঠাৎ করেই যেন রূপ পাল্টিয়ে ফেলেন এই গোলাম আজম এমনকি তিনি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি বা ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে প্রচারণা চালাচ্ছেন সচেতন মহল বলছেন এটা কি কোন রাজনৈতিক চাল নাকি অন্য কিছু আবার কেউ কেউ বলছেন এটা সুবিধাবাদী বিএনপির মধ্যে এসে সুবিধা ভোগ করতেছি যাতে করে সে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।
শুধু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কথায় নয় গোলাম আযমের পরিবারের বিরুদ্ধে আরো গুরুতর সামাজিক অপরাধের অভিযোগ আছে, এলাকাবাসী জানান গোলাম আজমের ভাই আবুল কালাম কামারজানি ইউনিয়নে চিনলি তো একজন মাদক ব্যবসায়ী, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের নেটওয়ার্ক গড়ে তলে যুব সমাজকে।
ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার পিছনে বারবার নাম উঠে এসেছে বর্তমানে কামারজানিতে তার মাদক ব্যবসা রমরমা চলছে, স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ ও কামারজানি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ তৃণমূল রাজনৈতিক।
নেতাকর্মীদের দাবি যারা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে নিজেদের ফায়দা হাতিল করতে চায়, এবং যাদের পরিবার মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রাজনৈতিকভাবে তাদেরকে প্রতিরোধ করা ধরকার। এ বিষয়ে গোলাম আজয এর সাথে মুটো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন না।