বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভূতেরদিয়া এলাকায় সুগন্ধা নদীর তীব্র ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার মোল্লারহাট বাজার সংলগ্ন পূর্ব ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে স্থানীয় সর্বস্তরের এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। নদী ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আয়োজিত এই মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার তিন শতাধিক মানুষ ব্যানার-প্লেকার্ড হাতে অংশ নিয়ে তাদের চরম ক্ষোভ ও আকুতি তুলে ধরেন।
পূর্ব ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাফফর হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা মো. হেলাল উদ্দিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মিল্টন, ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেন আকন
পূর্ব ভূতেরদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাফফর হোসেনের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা মো. হেলাল উদ্দিনের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মিল্টন, ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেন আকন
৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান সিকদার, সমাজসেবক মো. আব্দুর রাজ্জাক আকন, মো. আজিজুল হাওলাদার, মো. মন্টু হাওলাদার, মো. মোজাম্মেল হোসেন হাং, খলিফা মো. এবাদুল্লাহ, ছাত্রদল নেতা সানি মীর এবং মাওলানা শাহাদাত হোসাইনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সুগন্ধা নদীর তীব্র ও অনিয়ন্ত্রিত ভাঙনের কারণে প্রতিবছর এলাকার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি, বসতভিটা, ঘরবাড়ি এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে শত শত পরিবার তাদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।
বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নদী ভাঙন শুধু মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতিই করছে না, বরং পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকেই এখন মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকিতে ফেলেছে।
বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নদী ভাঙন শুধু মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতিই করছে না, বরং পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ অস্তিত্বকেই এখন মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকিতে ফেলেছে।
বছরের পর বছর ধরে চলা এই সংকট সমাধানে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ জরুরি। এ সময় ভুক্তভোগী এলাকাবাসী ও বক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে সিসি ব্লক অথবা জিও ব্যাগ স্থাপনের মাধ্যমে নদী ভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানান।
একই সঙ্গে এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দ্রুত ও দৃশ্যমান কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন তারা।