সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লড়াইয়ে এবার লিওনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ইংল্যান্ড।
দুই দলের হাইভোল্টেজ এই ম্যাচ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। তবে মাঠে নামার আগেই মেসিদের সতর্ক করছে মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান।
আগামী ১৬ জুলাই আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপে দুই দলের পরিসংখ্যান বলছে, মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড। তবে নকআউট পর্বের স্মরণীয় দুই লড়াইয়ে ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ সালে শেষ হাসি হেসেছিল আর্জেন্টিনা।
১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ঐতিহাসিক মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
আগামী ১৬ জুলাই আটলান্টায় বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপে দুই দলের পরিসংখ্যান বলছে, মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড। তবে নকআউট পর্বের স্মরণীয় দুই লড়াইয়ে ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ সালে শেষ হাসি হেসেছিল আর্জেন্টিনা।
১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ঐতিহাসিক মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা।
অন্যদিকে ১৯৯৮ সালের শেষ ষোলোর ম্যাচে নির্ধারিত সময়ে ২-২ সমতার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জয় পেয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা।
বিশ্বকাপে দুই দলের আগের পাঁচ সাক্ষাতের মধ্যে ১৯৬২ সালে ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে, ১৯৬৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ১-০ গোলে এবং ২০০২ সালে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল। আর ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ সালের ম্যাচে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দলের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের জয় তিনটি, আর্জেন্টিনার জয় একটি এবং একটি ম্যাচ টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার পক্ষে গিয়েছে।
তাই আসন্ন সেমিফাইনাল শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন এক অধ্যায় হতে যাচ্ছে।
বিশ্বকাপে দুই দলের আগের পাঁচ সাক্ষাতের মধ্যে ১৯৬২ সালে ইংল্যান্ড ৩-১ গোলে, ১৯৬৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ১-০ গোলে এবং ২০০২ সালে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল। আর ১৯৮৬ ও ১৯৯৮ সালের ম্যাচে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দলের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের জয় তিনটি, আর্জেন্টিনার জয় একটি এবং একটি ম্যাচ টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনার পক্ষে গিয়েছে।
তাই আসন্ন সেমিফাইনাল শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতার নতুন এক অধ্যায় হতে যাচ্ছে।