চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের নাম মিজানুর রহমান, তিনি জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের (টাউন হাইস্কুল) সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, তার পরিবার এবং থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সাল থেকে প্রাইভেট পড়ানোর অজুহাতে ওই ছাত্রীকে নিজের লালসার শিকার বানিয়ে আসছিলেন শিক্ষক মিজানুর রহমান। এই অনৈতিক ঘটনাটি যাতে কেউ জানতে না পারে, সেজন্য ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করা হতো বলেও অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী পুরো বিষয়টি তার পরিবারের কাছে খুলে বললে গত বুধবার ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত শিক্ষককে ডেকে পাঠান। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা ওই শিক্ষককে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহত মিজানুর রহমানকে তাদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
সম্প্রতি ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী পুরো বিষয়টি তার পরিবারের কাছে খুলে বললে গত বুধবার ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত শিক্ষককে ডেকে পাঠান। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা ওই শিক্ষককে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং আহত মিজানুর রহমানকে তাদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, শিক্ষার্থীর পরিবারের দায়ের করা মামলায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসেও ধর্ষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর মিজানুর রহমানকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন এবং বর্তমানে তিনি জেলহাজতে সাজা ভোগ করছেন।