Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / জাতীয় / জ্বালানি চাহিদা পূরণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি ডলার চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী - Chief TV

জ্বালানি চাহিদা পূরণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি ডলার চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী - Chief TV

2026-04-15  ডেস্ক রিপোর্ট  63 views
জ্বালানি চাহিদা পূরণে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২০০ কোটি ডলার চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী - Chief TV

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বর্তমানে যে সংকট চলছে তা মোকাবিলায় উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার পাশাপাশি কোনো দেশ যে একা তার সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হবে না সে বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার দুপুরে ‘এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেডইসি) প্লাস অনলাইন সামিট’ এ অংশ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, “সবেচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়া অবশ্যই আমাদের সম্মিলিত অগ্রাধিকারের শীর্ষে থাকা উচিত।

“এই দৃষ্টিকোণ থেকে, তাৎক্ষণিক জ্বালানি চাহিদা পূরণে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার রক্ষায় বাংলাদেশ উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ আহ্বায়নে দ্রুত ও ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”

দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনে তার কার্যালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার তথ্য দিয়েছেন তার প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ।

তিনি বলেন, “এই সামিটে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেছেন।”

সরকারপ্রধান বলেছেন, “বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট দেখিয়ে দিয়েছে সব দেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একা এই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে না কোনো দেশ। এজন্য প্রয়োজন সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ।”

“বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।”

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ইতোমধ্যে কিছু স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারি অফিস ও কেনাকাটার সময় কমানো, জরুরিভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি, বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা।”

বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সংকটের ব্যাপ্তি ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। যা আশির দশকজুড়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড স্থবির করে দিয়েছিল।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য কমাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সংকট কষ্টার্জিত সেই অর্জনকে হুমকির মুখে ফেলছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, অনেক দেশই ঝুঁকির মুখে। এ সমস্যা সমাধানে বৈশ্বিক সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।”

এরকম পরিস্থিতিতে এমন একটি সম্মেলনের আয়োজন করার জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিকে ধন্যবাদ জানান তারেক রহমান।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে অংশ নেন ভারত, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়ার সরকারপ্রধান ও প্রতিনিধিরা।

এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-এডিবির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

জলাবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং এশীয় অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এজেডইসি অনলাইন সামিট আয়োজন করা হয়।

অনলাইন এই সামিটে অংশ নেওয়ার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।


Share: