কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা তল্লাশির অজুহাতে পুলিশ পরিচয়ে এক ঠিকাদারের বাড়িতে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের পহরচাঁদার ল্যাঙ মিয়াজীপাড়া এলাকার স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তালিকাভুক্ত ঠিকাদার রেজাউল করিমের বাড়িতে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেলেও, পালানোর সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে নিজেদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে যেতে বাধ্য হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চকরিয়ার একটি হাসপাতালে ঠিকাদার রেজাউল করিমের পুত্রবধূ সন্তান প্রসব করায় পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই রাতে হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে কেবল রেজাউল করিম, তাঁর ছেলে সাকেরুল ইসলাম ও মেয়ে রূপা ইসলাম ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চকরিয়ার একটি হাসপাতালে ঠিকাদার রেজাউল করিমের পুত্রবধূ সন্তান প্রসব করায় পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই রাতে হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে কেবল রেজাউল করিম, তাঁর ছেলে সাকেরুল ইসলাম ও মেয়ে রূপা ইসলাম ছিলেন।
গভীর রাতে মোটরবাইক নিয়ে একদল ডাকাত বাড়ির সামনে এসে দরজায় নক করে এবং নিজেদের পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে জানায় যে, পরদিন প্রধানমন্ত্রী আসছেন বিধায় বাড়িতে বিশেষ তল্লাশি চালানো হবে। সরল বিশ্বাসে দরজা খুলতেই ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ফেলে।
এ সময় পরিবারের সদস্যরা সাহসিকতার সাথে ডাকাতদের বাধা দিলে চরম ধস্তাধস্তির সৃষ্টি হয়। এর মাঝেই অস্ত্রের মুখে আলমারি থেকে নগদ ২৯ হাজার টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয় দুর্বৃত্তরা।
লুটপাট শেষে ডাকাত দল চলে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক ও তাঁর ছেলে আবারও তাঁদের ওপর চড়াও হন। এতে ডাকাত দলের একজন সদস্য দলছুট হয়ে পড়লে তিনি নিজেকে বাঁচাতে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এবং নিজের মোটরসাইকেলের নেমপ্লেটটি তাড়াহুড়ো করে খুলে নিয়ে পালিয়ে যান।
লুটপাট শেষে ডাকাত দল চলে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিক ও তাঁর ছেলে আবারও তাঁদের ওপর চড়াও হন। এতে ডাকাত দলের একজন সদস্য দলছুট হয়ে পড়লে তিনি নিজেকে বাঁচাতে গুলি ছুড়তে ছুড়তে এবং নিজের মোটরসাইকেলের নেমপ্লেটটি তাড়াহুড়ো করে খুলে নিয়ে পালিয়ে যান।
তবে মোটরসাইকেলটি আর নিয়ে যেতে পারেননি। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ঘটনার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করা হলেও পুলিশ আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
চকরিয়া থানার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ডাকাতদের ফেলে যাওয়া মোটরসাইকেল ও দুই জোড়া জুতা জব্দ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।