বরিশাল নগরীর একসময়ের শীর্ষ মাদক সম্রাট ও র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত আব্দুল মালেক ওরফে ‘গাঁজা মালেক’-এর রেখে যাওয়া মাদকের বিশাল সাম্রাজ্যে বড় ধরনের হানা দিয়েছে পুলিশ।
নগরীর কেডিসি বালুর মাঠ এলাকার শিল্পকলা একাডেমির পেছনের এক আস্তানায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখা।
তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগের স্বামী ক্রসফায়ারে যাওয়ার পর মাদক ব্যবসার হাল ধরা স্ত্রী নিলুফা বেগম নিলু এবং তার বর্তমান স্বামী তথা নতুন মাদক ডিলার সাইদুল ইসলাম আগেভাগেই আত্মগোপনে চলে গেছে।
বুধবার দুপুরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট) আব্দুল মান্নান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্ভরযোগ্য সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত গাঁজা মালেক একসময় সোর্স পরিচয়ে গোটা বরিশাল অঞ্চলে মাদকের পাইকারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী নিলুফা মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরবর্তীতে সাইদুল ইসলামকে বিয়ে করে দুজনে মিলে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে গাঁজার হোলসেল সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্ভরযোগ্য সূত্র ও পুলিশ জানায়, নিহত গাঁজা মালেক একসময় সোর্স পরিচয়ে গোটা বরিশাল অঞ্চলে মাদকের পাইকারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করত। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী নিলুফা মাদক কারবারের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং পরবর্তীতে সাইদুল ইসলামকে বিয়ে করে দুজনে মিলে পুরো দক্ষিণাঞ্চলে গাঁজার হোলসেল সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. ছগির হোসেনের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকালে ওই দম্পতির দুইতলা টিনশেড ঘরে তল্লাশি চালিয়ে পাটের বস্তা ও ব্যাগভর্তি ৬৬ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
এই ঘটনায় ডিবি পুলিশ বাদী হয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাইদুল, নিলুফা এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশ আরও জানায়, নিলুফার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৯টি এবং সাইদুলের বিরুদ্ধে ১২টি মাদক মামলার রেকর্ড রয়েছে; বর্তমানে এই পলাতক মাদক ব্যবসায়ী দম্পতি ও তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তারে চিরুনি অভিযান চালানো হচ্ছে।