কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় জাইতুন রেস্তোরাঁয় নাশতা শেষে ভুলবশত ফেলে যাওয়া শিশুর পরিবারের সন্ধান পাওয়া গেছে। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাইতুন রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেলে যাওয়া শিশুর পরিবারের সদস্যরা রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন জানান, শিশুটির মা তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভাষাগত সমস্যার কারণে প্রাথমিকভাবে যোগাযোগে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়ে নাশতার জন্য জাইতুন রেস্তোরাঁয় থামে এবং সকাল ৯টার দিকে সেখান থেকে চলে যায়। পরে চট্টগ্রাম পার হওয়ার পর অনলাইনে সংবাদ দেখে তারা বিষয়টি জানতে পারে।
তিনি আরও জানান, পরিবারটি এখন কুমিল্লার পথে রয়েছে। পুলিশ ও সমাজসেবা অফিসারের উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই শেষে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় ১৫ সদস্যের একটি বিদেশি পরিবার দুটি গাড়িতে করে রেস্তোরাঁয় আসে এবং নাশতা করে আড্ডায় মেতে ছিল। পরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ভুলবশত শিশুটিকে রেস্তোরাঁর ভেতরেই ফেলে যায় তারা।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জাইতুন রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেলে যাওয়া শিশুর পরিবারের সদস্যরা রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন জানান, শিশুটির মা তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভাষাগত সমস্যার কারণে প্রাথমিকভাবে যোগাযোগে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। তিনি বলেন, পরিবারটি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিয়ে নাশতার জন্য জাইতুন রেস্তোরাঁয় থামে এবং সকাল ৯টার দিকে সেখান থেকে চলে যায়। পরে চট্টগ্রাম পার হওয়ার পর অনলাইনে সংবাদ দেখে তারা বিষয়টি জানতে পারে।
তিনি আরও জানান, পরিবারটি এখন কুমিল্লার পথে রয়েছে। পুলিশ ও সমাজসেবা অফিসারের উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই শেষে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় ১৫ সদস্যের একটি বিদেশি পরিবার দুটি গাড়িতে করে রেস্তোরাঁয় আসে এবং নাশতা করে আড্ডায় মেতে ছিল। পরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ভুলবশত শিশুটিকে রেস্তোরাঁর ভেতরেই ফেলে যায় তারা।