Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
হোম / বিনোদন / ‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি

‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি

2026-07-07  ডেস্ক রিপোর্ট  28 views
‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন প্রথমবারের মতো নিজের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। জাতীয় পুরস্কারজয়ী সিনেমা ‘মিমি’র শুটিং চলাকালীন তিনি ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত জীবনের কথা ভেবেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কৃতি। এখনো এটিকে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি ‘হিউম্যানস অব বম্বে’ পডকাস্টে কৃতি জানান, এতদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে বলেননি। তবে বর্তমানে মনে করছেন, এ ধরনের বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

কৃতি বলেন, ‘আমি আমার ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলাম। খুব পরিকল্পনা করেই সিদ্ধান্তটি নিয়েছিলাম। কারণ তখন ‘মিমি’ সিনেমার জন্য আমাকে ওজন বাড়াতে হচ্ছিল। ডিম্বাণু সংরক্ষণের চিকিৎসার সময় শরীরে কিছু পরিবর্তন আসে, আর সিনেমার জন্যও তখন আমার ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন ছিল। তাই মনে হয়েছিল এটাই উপযুক্ত সময়।’

অভিনেত্রী জানান, ‘মিমি’র শুটিংয়ের মাঝে প্রায় দুই মাসের বিরতি ছিল। সে সময় অন্য কোনো সিনেমার কাজ না থাকায় অস্ত্রোপচার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পন্ন করা সহজ হয়েছিল। পাশাপাশি পরিচিত একজনের পরামর্শও তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে অনুপ্রাণিত করেছিল।

তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ ছিল না বলেও জানিয়েছেন কৃতি। চিকিৎসার অংশ হিসেবে নেওয়া হরমোন ইনজেকশনের কারণে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে।

তিনি বলেন, সেই সময় অনেকটা গর্ভাবস্থার মতো অনুভূতি হচ্ছিল। মেজাজের পরিবর্তন এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তবে এখন ফিরে তাকালে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে খুশি তিনি।

কৃতি আরও জানান, ডিম্বাণু সংরক্ষণের সময় তার বয়স ছিল প্রায় ২৯ বছর। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিম্বাণু সংরক্ষণ একটি ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাবিষয়ক সিদ্ধান্ত। সাধারণত তুলনামূলক কম বয়সে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে ভবিষ্যতে সফলতার সম্ভাবনা বেশি থাকতে পারে। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


Share: