নওগাঁর মহাদেবপুরে তিনটি প্রতারণার মামলায় উপজেলা ওলামা লীগের সভাপতি আশেক এলাহীকে আসকান (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওলামা লীগ সভাপতি গ্রেফতার হওয়ার এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বেশ আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
একজন ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকাবাসীর মধ্যেও কৌতূহল ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকালে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার আশেক এলাহী নওগাঁর জেলার মহাদেবপুর উপজেলার ৯ নং চেরাগপুর ইউনিয়নের ৯ নং চৌমাশিয়ার ওয়ার্ডের অশোকলা বাগধানা গ্রামের মৃত মশর উদ্দীনের ছেলে। তিনি উপজেলা ওলামা লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
ওলামা লীগ সভাপতি গ্রেফতার ,চেক জালিয়াতির তিন মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা পুলিশ জানায়, আশেক এলাহীর বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে ডিএমপি পুলিশের সহযোগিতায় দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে মহাদেবপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে চেক জালিয়াতি বা ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলাগুলো সাধারণত নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারার অধীনে দায়ের করা হয়ে থাকে। এ ধরনের মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির না হলে বা পাওনা পরিশোধ না করলে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারে।
ওলামা লীগ সভাপতি গ্রেফতার, পুলিশের বক্তব্য নওগাঁর মহাদেবপুর থানার ওসি মো. ওমর ফারুক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আশেক এলাহীর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক তিনটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তাকে শনিবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চেক জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় সাধারণত জামিনের সুযোগ থাকে, যা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট আদালতের সিদ্ধান্ত ও মামলার অগ্রগতির ওপর।