ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীতে একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোটে হামলা চালিয়ে এক বিদেশগামী যাত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একদল ডাকাত। এ সময় দুর্বৃত্তরা ওই যাত্রীর নগদ টাকা, মোবাইল ফোন এবং প্রায় চার লাখ টাকা মূল্যের স্পিডবোটের ইঞ্জিন খুলে লুট করে নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর জলসীমার বালুর টেক এলাকায় এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের হামলায় আহত মো. লিটন (৩৫) চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের নছরউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী গ্রামের কামরুল হাসানের ছেলে। অন্যদিকে, ঘটনার সময় স্পিডবোটচালক সঞ্জিব (২২) প্রাণে বাঁচতে কাছের একটি চরে দৌড়ে আশ্রয় নেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে দোহারের মৈনট ঘাট থেকে একমাত্র যাত্রী লিটনকে নিয়ে চরভদ্রাসনের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন স্পিডবোটচালক সঞ্জিব। পথিমধ্যে পদ্মা নদীর বালুর টেক এলাকায় পৌঁছালে মাওয়ার দিক থেকে আসা ১০ থেকে ১৫ জন সশস্ত্র আরোহীসহ একটি বড় স্পিডবোট তাদের ধাওয়া করে। বিপদ বুঝতে পেরে চালক সঞ্জিব স্পিডবোটটি দ্রুত একটি চরের কূলে ভিড়িয়ে দৌড়ে ভেতরের দিকে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে দোহারের মৈনট ঘাট থেকে একমাত্র যাত্রী লিটনকে নিয়ে চরভদ্রাসনের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন স্পিডবোটচালক সঞ্জিব। পথিমধ্যে পদ্মা নদীর বালুর টেক এলাকায় পৌঁছালে মাওয়ার দিক থেকে আসা ১০ থেকে ১৫ জন সশস্ত্র আরোহীসহ একটি বড় স্পিডবোট তাদের ধাওয়া করে। বিপদ বুঝতে পেরে চালক সঞ্জিব স্পিডবোটটি দ্রুত একটি চরের কূলে ভিড়িয়ে দৌড়ে ভেতরের দিকে পালিয়ে যান।
এ সময় একমাত্র যাত্রী লিটন বোটেই অবস্থান করছিলেন। পরে ডাকাত দল বোটটি ঘিরে ফেলে লিটনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতের কনুইয়ের ওপরে গুরুতর জখম করে। এরপর তাঁর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা, মোবাইল এবং বোটের মূল্যবান ইঞ্জিনটি খুলে নিয়ে স্পিডবোটটি ভাসিয়ে দেয়। পরবর্তীতে আহত লিটনের অনুরোধে ডাকাতরা তাকে একটি জেলে নৌকায় তুলে মৈনট ঘাটে পাঠিয়ে দিলে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে দোহার নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে আশ্রয় নেন।
আহত যাত্রী লিটন জানান, বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রদান শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। এই নৌ-রুটে নিয়মিত নৌ-পুলিশের টহল ও নজরদারি না থাকায় ডাকাতরা এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আহত যাত্রী লিটন জানান, বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রদান শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। এই নৌ-রুটে নিয়মিত নৌ-পুলিশের টহল ও নজরদারি না থাকায় ডাকাতরা এমন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, সন্ধ্যার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান মোল্যা পদ্মায় ডাকাতির বিষয়টি অবহিত করলে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয় এবং মাঝনদীর একটি চর থেকে ইঞ্জিনবিহীন স্পিডবোট ও চালককে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
ফরিদপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক নাসিম আহাম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।