রাজধানীর নিউমার্কেট থানাধীন এলিফ্যান্ট রোডের আল-বারাকা টাওয়ারে এক আইনজীবীর চেম্বারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আব্দুস সালাম (২০) ও জনি (২৪) নামে দুই ক্লার্কের মৃত্যু হয়েছে। আগুনে চেম্বারের ভেতরে থাকা লাখ লাখ টাকার মূল্যবান বই ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগুন লাগার সময় চেম্বারের ভেতরেই অবস্থান করছিলেন ওই দুই ক্লার্ক। ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচতে তারা বাথরুমে আশ্রয় নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক আব্দুস সালামকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জনিও মারা যান।
নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিন জানান, মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
জানা গেছে, চেম্বারটি সাবেক উপদেষ্টা হাসান আরিফের ছিল। তার মৃত্যুর পর ব্যারিস্টার মোয়াজ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান চেম্বারটি ব্যবহার করছিলেন।
নিহত আব্দুস সালাম বগুড়ার কাহালু উপজেলার বড় ভাদাহার গ্রামের মোহাম্মদ সেলিম ও রেহেনা বিবির ছেলে। তিনি প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমানের ক্লার্ক হিসেবে কাজ করতেন।
অন্যদিকে জনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বাবুন্দিয়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে এবং ব্যারিস্টার মোয়াজের ক্লার্ক ছিলেন।
চেম্বারের নিরাপত্তাকর্মী সরোয়ার জানান, আগুন লাগার পর ভেতরে থাকা দুজন বাঁচার জন্য বাথরুমে আশ্রয় নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ধোঁয়ায় অক্সিজেনের অভাবে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।