রাজধানীর বনানীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজন ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে মহাখালীর ওয়্যারলেস শিশু মেলা স্কুলসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন সুমন মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী সোনিয়া (৩৮) এবং সোনিয়ার ভাই রাসেল (৪০)। আহতদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা নিয়ে অভিযুক্ত আরিফের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফসহ ৮ থেকে ১০ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মারধরের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। হামলার পর অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সকালে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহত সুমন মিয়া পরিবারসহ মহাখালী টিএনটি কলোনিতে বসবাস করেন।
বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জানে আলম জানান, আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে, তবে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আহতরা হলেন সুমন মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী সোনিয়া (৩৮) এবং সোনিয়ার ভাই রাসেল (৪০)। আহতদের প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা নিয়ে অভিযুক্ত আরিফের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফসহ ৮ থেকে ১০ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মারধরের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। হামলার পর অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে সকালে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহত সুমন মিয়া পরিবারসহ মহাখালী টিএনটি কলোনিতে বসবাস করেন।
বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জানে আলম জানান, আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পাওনা টাকা সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে, তবে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।