মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার হস্তক্ষেপ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা না থাকলে ইসরাইল ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়ত। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সমর্থনই ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে শক্তিশালী করেছে এবং দেশটিকে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সুবিধা দিয়েছে।
এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, তার হস্তক্ষেপ না থাকলে ইসরাইল ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হয়ে যেত। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আয়রন ডোম এবং বি-২ স্পিরিট বোমারু বিমানের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতা প্রদান করেছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ইতিবাচক এবং দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বিদ্যমান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইসরাইলের নীতিনির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু নিজেও স্বীকার করবেন যে ইসরাইলের ব্যবহৃত অনেক গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় এসেছে। তার ভাষায়, অস্ত্র, আয়রন ডোম এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহায়তা ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেই দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, ইসরাইল তার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল এবং তার পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। তবে একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, নেতানিয়াহুর সরকারকে কিছু বিষয়ে সংযত রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
ট্রাম্পের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইসরাইলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।