নিরাপত্তাজনিত চরম ঝুঁকির কারণে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেননি তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
জানা গেছে, দাফন অনুষ্ঠানেও তার উপস্থিতি অনিশ্চিত। ইসরায়েলি বাহিনীর পক্ষ থেকে খামেনি পরিবারের ওপর অব্যাহত হুমকির প্রেক্ষিতে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে কঠোর হুমকি প্রদান করেন।
সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে কঠোর হুমকি প্রদান করেন।
এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেকোনো ধরনের হুমকির কঠোর ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে। মূলত এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার স্বার্থেই মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে আনা হচ্ছে না।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান কয়েক দফায় পিছিয়ে দেওয়া হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত খামেনির রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠান কয়েক দফায় পিছিয়ে দেওয়া হয়।
ইরানের সরকারি তথ্যমতে, খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে রাজধানী তেহরান ও সারা দেশ মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষের সমাগম ঘটেছে, যা ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
খামেনির স্মরণে ছয় দিনের দীর্ঘ শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদে হযরত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে। শোকযাত্রায় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি তার পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহও বহন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খামেনির স্মরণে ছয় দিনের দীর্ঘ শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯ জুলাই ইরানের মাশহাদে হযরত ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে। শোকযাত্রায় খামেনির মরদেহের পাশাপাশি তার পরিবারের নিহত সদস্যদের মরদেহও বহন করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।