আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগের করা আইনেই বর্তমানে দলটির বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন-১৯৭৩ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯—উভয় আইনই আওয়ামী লীগ সরকার প্রণয়ন করেছিল এবং এসব আইনে সংগঠনের বিচার ও নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে।
রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সময় আওয়ামী লীগ দল হিসেবে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সময় আওয়ামী লীগ দল হিসেবে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
দলটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধেও সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির প্রশ্ন উঠে এসেছে। আইনের দৃষ্টিতে এসব অভিযোগের বিচার করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করে। পরে ২০১০ সালে একই আইনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়।
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন প্রণয়ন করে। পরে ২০১০ সালে একই আইনের আওতায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয়।
২০১৩ সালে আইনে সংশোধন এনে ‘অর্গানাইজেশন’ শব্দটি যুক্ত করা হয়। এছাড়া ২০০৯ সালে প্রণীত সন্ত্রাসবিরোধী আইনেও ব্যক্তি ও সংগঠনের বিরুদ্ধে বিচার করার বিধান রাখা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা তিনি সাংবাদিকদের মতোই শুনেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা তিনি সাংবাদিকদের মতোই শুনেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। দল নিষিদ্ধকরণসহ সংশ্লিষ্ট আইনগত কাঠামো আওয়ামী লীগ সরকারই বিভিন্ন সময়ে প্রণয়ন ও সংশোধন করেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার দেশে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার দেশে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ সময়ে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ও স্বাধীনতা খর্ব করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার হামলার অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংগঠিত সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনায় তদন্ত সংস্থা কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রাথমিক অভিযোগের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংগঠিত সহিংসতা ও হতাহতের ঘটনায় তদন্ত সংস্থা কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রাথমিক অভিযোগের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।