ময়মনসিংহ নগরীতে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের জেরে এক যুবককে তার বাসায় ঢুকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে নগরীর রামকৃষ্ণ মিশন রোড সংলগ্ন ৩৬ নম্বর বাড়ি কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম কাইল্লা রুবেল (৩৫)। তিনি ওই এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রুবেলের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। সেই ঘটনার জের ধরে ওই নারীর চার ছেলে রোববার সকালে রুবেলের বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জবাই করে হত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিহতের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সজল ও রনি নামে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রুবেলের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল। সেই ঘটনার জের ধরে ওই নারীর চার ছেলে রোববার সকালে রুবেলের বাসায় প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে জবাই করে হত্যা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।
পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিহতের বিরুদ্ধে ওঠা ধর্ষণের অভিযোগও যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সজল ও রনি নামে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্যদের শনাক্তে অভিযান চলছে।