বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফরম জমা না দেওয়ার অভিযোগে মহাস্থান মাহীসাওয়ার ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার অপারেটর (আউটসোর্সিং) সাব্বির হোসেন শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার ভোরে শিবগঞ্জ পৌরসভার বানাইল পশ্চিমপাড়া এলাকায় তার বোনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেন শাওন ওই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। পুলিশ জানায়, এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তিনি।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কথা বলে ছয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জনপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ২৭ হাজার টাকা নেন সাব্বির হোসেন শাওন। পরে শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের কারও ফরম পূরণ করা হয়নি এবং কোনো প্রবেশপত্রও ইস্যু করা হয়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির হোসেন শাওন ফরম পূরণের নামে টাকা গ্রহণ ও আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান, রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেন শাওন ওই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। পুলিশ জানায়, এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি তিনি।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কথা বলে ছয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে জনপ্রতি ৪ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ২৭ হাজার টাকা নেন সাব্বির হোসেন শাওন। পরে শিক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে জানতে পারেন, তাদের কারও ফরম পূরণ করা হয়নি এবং কোনো প্রবেশপত্রও ইস্যু করা হয়নি।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা শিবগঞ্জ থানায় মামলা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির হোসেন শাওন ফরম পূরণের নামে টাকা গ্রহণ ও আত্মসাতের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান, রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।