ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বক্তব্যকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা বলে তীব্র সমালোচনা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
এই আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে ফুয়াদকে অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। গত বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বার্তায় এই দাবি জানানো হয়।
ছাত্রদল স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, ব্যারিস্টার ফুয়াদের এই বক্তব্য শুধু ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, বরং এর মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এমন অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্যের জন্য তাঁকে অবশ্যই অতি সত্বর ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যারিস্টার ফুয়াদদের এত আক্রোশের কারণ কী? এর জবাবে তারা নিজেরাই উল্লেখ করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, ঠিক সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল ফুয়াদের পছন্দের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।
ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যারিস্টার ফুয়াদদের এত আক্রোশের কারণ কী? এর জবাবে তারা নিজেরাই উল্লেখ করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, ঠিক সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল ফুয়াদের পছন্দের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।
১৯৪৭ সালের দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ প্রতিটি ঐতিহাসিক সংকটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে।
বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। ছাত্রদলের দাবি, সেই ঐতিহাসিক ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ থেকেই ফুয়াদ সাহেবরা মননে এমন আক্রোশ লালন করেন।
এর আগে গত বুধবার বিকেলে ডাকসু অফিসে আয়োজিত এক সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষার মান এবং শিক্ষকদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
এর আগে গত বুধবার বিকেলে ডাকসু অফিসে আয়োজিত এক সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষার মান এবং শিক্ষকদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ৫০ থেকে ৭০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা দেশের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি করেছে কিনা এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সচল থাকার কোনো প্রয়োজন আছে কিনা।
বক্তব্য চলাকালে তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে ফ্যাসিস্ট ক্রিমিনাল টাউট বাটপার তৈরি করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এমনকি আগামীকাল যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন বা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে দেশের কী ক্ষতি হবে—এমন প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন তিনি, যার পরিপ্রক্ষিতেই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষমার দাবি এলো।