ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন।
আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের দেশে ফেরার এই পরিকল্পনার কথা জানান।
বৃহস্পতিবার রাতে টেলিফোনে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলে বর্তমান সরকার তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে কিংবা প্রাণনাশের ঝুঁকিও রয়েছে।
তবুও দেশের পরিস্থিতি ও নেতাকর্মীদের ওপর চলমান নিপীড়নের কথা মাথায় রেখে তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই তা যেন নিজের মাটিতেই হয়।’
উল্লেখ্য যে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।
এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে। শেখ হাসিনা জানান, তিনি এবং তার দলের সদস্যরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতে সমর্পণের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের আচরণের একটি পরীক্ষা নিতে চান।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে ভারতের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
এদিকে, বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত পেতে ভারতের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসছে।
তবে দেশে ফেরার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করেননি জানিয়ে শেখ হাসিনা রয়টার্সকে বলেন, ‘তারা আমাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে বারবার ভারতের কাছে চিঠি পাঠাচ্ছে। আমি নিজেই চলে যাব।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন নির্বাসনে থাকার পর শেখ হাসিনার এই দেশে ফেরার ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন নির্বাসনে থাকার পর শেখ হাসিনার এই দেশে ফেরার ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সরকার স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় থাকলেও তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে রাজনৈতিক বিভাজন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন অনেকে।