বিয়েবাড়িতে বাড়ির পাশের বাড়ির হুজুরকে দাওয়াত না দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর হাতিয়ায় দুইপক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় কমপক্ষের ১১ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার শাহাবউদ্দিনের ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে সমাজের হুজুরকে বাদ দিয়ে বাইরের এক হুজুরকে দাওয়াত দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন হেলাল মাঝি ও তার অনুসারীরা। বিষয়টি মীমাংসার জন্য রোববার বিকালে গ্রামে বৈঠক বসে। বৈঠকে প্রথমে তর্কবিতর্ক এবং পরে হাতাহাতি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আহত ও বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে থাকা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাবউদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের পারিবারিক হুজুরকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। এতে হেলাল মাঝির লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে বিয়ের দিন বাধা দেন। আজ আবার দোকানে গেলে তাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়।
অন্যদিকে আহত হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি স্থানীয় মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে বিষয়টি জানতে চাইলে, শাহাবউদ্দিন আমাকে হুমকি দেন। আজ আবার তার পক্ষের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল আবেদীন জানান, শাহাবউদ্দিন ও মারজান নামে দুজনকে জনরোষের কবল থেকে উদ্ধার করে থানায় হেফাজতে রাখা হয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষের বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।