বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা স্পিনার নাঈম হাসানের ওপর চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের বর্বর শারীরিক নির্যাতন, হেনস্তা এবং থানায় নিয়ে গিয়ে দুর্ব্যবহারের ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (১৪ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিশেষ বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই কড়া প্রতিবাদ জানান।
একজন জাতীয় ক্রিকেটারকে রাজপথে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের কেবল প্রত্যাহার বা ক্লোজড করাই যথেষ্ট নয়, বরং প্রচলিত আইনে তাদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছে দলটি।
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ খেলে চট্টগ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে একজন জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারকে প্রকাশ্য রাজপথে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাইপ দিয়ে পেটানো এবং গলা চেপে ধরার মতো অমানবিক ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) ম্যাচ খেলে চট্টগ্রামে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে একজন জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারকে প্রকাশ্য রাজপথে গাড়ি থেকে নামিয়ে পাইপ দিয়ে পেটানো এবং গলা চেপে ধরার মতো অমানবিক ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
নাঈম হাসান নিজের খেলোয়াড়ি পরিচয় দেওয়ার পরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের এমন মারমুখী ও বৈরী আচরণ প্রমাণ করে যে, দেশের সাধারণ নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা আজ কতটা গভীর হুমকির মুখে পড়েছে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ, যিনি দেশের লাল-সবুজ পতাকাকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করেন, তার সঙ্গেই যদি প্রকাশ্য রাস্তায় এমন বর্বর ও পৈশাচিক আচরণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার শেষ আশ্রয়স্থল কোথায়? কেবল ওসির প্রত্যাহার বা ক্লোজড করাই এ ধরনের গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হতে পারে না। জামায়াত নেতা অনতিবিলম্বে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ওপর শারীরিক নির্যাতনে সরাসরি জড়িত প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রচলিত ফৌজদারি আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পুলিশ সদস্য সাধারণ নাগরিককে এভাবে হেনস্তার সাহস না পায়।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রীড়াবিদ, যিনি দেশের লাল-সবুজ পতাকাকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করেন, তার সঙ্গেই যদি প্রকাশ্য রাস্তায় এমন বর্বর ও পৈশাচিক আচরণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার শেষ আশ্রয়স্থল কোথায়? কেবল ওসির প্রত্যাহার বা ক্লোজড করাই এ ধরনের গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হতে পারে না। জামায়াত নেতা অনতিবিলম্বে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ওপর শারীরিক নির্যাতনে সরাসরি জড়িত প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রচলিত ফৌজদারি আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো পুলিশ সদস্য সাধারণ নাগরিককে এভাবে হেনস্তার সাহস না পায়।
বিবৃতিতে তিনি আহত ক্রিকেটার নাঈম হাসান ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দেশের সব স্তরের ক্রীড়াবিদ ও যুবসমাজের উপযুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।