টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক বিশেষ অভিযানে সাড়ে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ সময় মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রির সরাসরি অভিযোগে মারফুজা সুলতানা (২৪) নামের এক গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করা হলেও অভিযানের টের পেয়ে তার শ্বশুর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
রোববার (১৪ জুন) উপজেলার কদিম খরশিলা গ্রামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের উদ্যোগে এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কদিম খরশিলা গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহিদ মিয়া (৫৪) তার পুত্রবধূর সহযোগিতায় নিজ বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা মজুত রেখে বেচাকেনা করে আসছিলেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কদিম খরশিলা গ্রামের বাসিন্দা মো. জাহিদ মিয়া (৫৪) তার পুত্রবধূর সহযোগিতায় নিজ বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা মজুত রেখে বেচাকেনা করে আসছিলেন।
এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম ওই বাড়িতে আকস্মিক হানা দেয়। পরবর্তীতে পুরো বাড়ি তল্লাশি করে ৬ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ পুত্রবধূ মারফুজা সুলতানাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে মূল অভিযুক্ত জাহিদ মিয়া কৌশলে সটকে পড়েন।
এই ঘটনার পর গ্রেপ্তারকৃত মারফুজা সুলতানা এবং পলাতক জাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কালিহাতী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের নেতৃত্বদানকারী এসআই মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম নিজেই এই মামলার বাদী হয়েছেন।
এই ঘটনার পর গ্রেপ্তারকৃত মারফুজা সুলতানা এবং পলাতক জাহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কালিহাতী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের নেতৃত্বদানকারী এসআই মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম নিজেই এই মামলার বাদী হয়েছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পলাতক প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং টাঙ্গাইল জেলাকে মাদকমুক্ত করতে এই ধরনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।