কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া এলাকায় যাত্রীবাহী একটি নোয়াহ মাইক্রোবাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন মোটরসাইকেল চালক। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিহতের ছোট ভাইসহ আরও দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ রোববার (২৮ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কের চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের মোজাহের পাড়ার রাস্তার মাথায় আমিনের দোকানসংলগ্ন স্থানে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম মো. মাহবুব আলম (২৫)। তিনি বরইতলী মোজাহের পাড়ার মৃত আবুল কালামের ছেলে। এ দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন নিহতের ছোট ভাই মো. সাহেদ এবং একই এলাকার মো. রাসেল।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম মো. মাহবুব আলম (২৫)। তিনি বরইতলী মোজাহের পাড়ার মৃত আবুল কালামের ছেলে। এ দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন নিহতের ছোট ভাই মো. সাহেদ এবং একই এলাকার মো. রাসেল।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাসড়কের ওই অংশের বাঁকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে লাকড়ি স্তূপ করে রাখার কারণে বিপরীত দিক থেকে আসা কোনো যানবাহন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। অপরিকল্পিতভাবে সড়কের পাশে লাকড়ি রাখার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মহাসড়কের চকরিয়ার বানিয়ারছড়াস্থ চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল আমিন জানান, হাইওয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করেছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মহাসড়কের চকরিয়ার বানিয়ারছড়াস্থ চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল আমিন জানান, হাইওয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় হতাহতদের উদ্ধার করেছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর কিছু সময় যানচলাচল ব্যাহত হলেও বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।