অনলাইন সংবাদ পোর্টালের নিবন্ধন ও পরিচালনা কার্যক্রমকে আরো সুশৃঙ্খল এবং জবাবদিহিতার আওতায় আনতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। জাতীয় সংসদের চলমান বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দেশের অনলাইন গণমাধ্যমগুলোর শৃঙ্খলা ফেরাতে মন্ত্রণালয় বেশ জোরেশোরেই এই নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি জেলা ভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব জেলা ভিত্তিক সংবাদপত্রের প্রকাশনা রেকর্ড দুর্বল, সেগুলোকে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের (ডিএফপি) তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি জেলা ভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতেও কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব জেলা ভিত্তিক সংবাদপত্রের প্রকাশনা রেকর্ড দুর্বল, সেগুলোকে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের (ডিএফপি) তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
অতীতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা যথাযথ প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এই পত্রিকাগুলো তালিকাভুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সংসদ অধিবেশনে দেশের বর্তমান সংবাদপত্রের একটি পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা থেকে ৫৮৫টি দৈনিক পত্রিকা, ৩৬৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং ২৯৬টি মাসিক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
সংসদ অধিবেশনে দেশের বর্তমান সংবাদপত্রের একটি পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা থেকে ৫৮৫টি দৈনিক পত্রিকা, ৩৬৩টি সাপ্তাহিক পত্রিকা এবং ২৯৬টি মাসিক পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
এই বিপুল সংখ্যক পত্রিকার মধ্যে সরকারিভাবে মিডিয়া তালিকাভুক্ত রয়েছে ২৮৮টি দৈনিক, ৫৬টি সাপ্তাহিক এবং ২৩টি মাসিক পত্রিকা, যা নিয়মিত সর্বোচ্চ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়ে আসছে।