তুরস্কের ‘শস্যভাণ্ডার’ খ্যাত কোনিয়া অঞ্চলে একের পর এক রহস্যময় সিঙ্কহোল বা গভীর গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্যমতে, অঞ্চলটিতে এখন পর্যন্ত ৬৮৪টি সিঙ্কহোল তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টির ব্যাস ২২৮ মিটার এবং গভীরতা ১৭১ মিটার। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়ায় মাটির নিচের চুনাপাথরের স্তর দুর্বল হয়ে এ ধরনের ধসের ঘটনা ঘটছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনিয়া একটি বন্ধ অববাহিকা হওয়ায় এখানকার পানির প্রধান উৎস ভূগর্ভস্থ স্তর। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত পানি উত্তোলনের ফলে সংকট তীব্র হচ্ছে। অঞ্চলটিতে প্রায় এক লাখ নলকূপ রয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি অবৈধ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনিয়া একটি বন্ধ অববাহিকা হওয়ায় এখানকার পানির প্রধান উৎস ভূগর্ভস্থ স্তর। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত পানি উত্তোলনের ফলে সংকট তীব্র হচ্ছে। অঞ্চলটিতে প্রায় এক লাখ নলকূপ রয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি অবৈধ।
অতিরিক্ত পানি উত্তোলনের কারণে মাটির গঠন আলগা হয়ে যাওয়ায় কৃষিজমি ও জনজীবন হুমকির মুখে পড়ছে। কোনিয়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ফেতুল্লাহ আরিক সতর্ক করেছেন যে, এসব গর্ত অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে তুরস্ক চরম পানি-সংকটে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞরা প্রচলিত কৃষিনীতি পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন।
জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে তুরস্ক চরম পানি-সংকটে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞরা প্রচলিত কৃষিনীতি পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন।
বর্তমানে ভুট্টা ও সুগার বিটের মতো প্রচুর পানি শোষণকারী ফসলের পরিবর্তে কম পানি প্রয়োজন এমন শস্য চাষে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। গবেষকরা সিঙ্কহোলের ঝুঁকি কমাতে ও পানির টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকারি পর্যায়ে কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।