চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক কলেজছাত্রীকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়ির সামনে ফেলে রেখে পালানোর অভিযোগ উঠেছে তার সহপাঠীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সহপাঠী তুহিন হোসেন ওরফে সালমানকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৩ মার্চ) তাকে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার তুহিন হোসেন ওরফে সালমান একটি কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের হামছাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় কলেজে অধ্যয়নরত ওই শিক্ষার্থী রোববার সকালে সহপাঠীর সঙ্গে বাইরে ঘুরতে যান। একপর্যায়ে অভিযুক্ত তুহিন হোসেন ওরফে সালমান কৌশলে তাকে পাশের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে তাকে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।
পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন চিকিৎসকরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তুহিন হোসেন ওরফে সালমানকে গ্রেপ্তার করে।
ফরিদগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, কলেজছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।