Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / আন্তর্জাতিক / জাপানে নির্বাচনে তাকাইচির দলের ভূমিধস জয় - Chief TV

জাপানে নির্বাচনে তাকাইচির দলের ভূমিধস জয় - Chief TV

2026-02-09  ডেস্ক রিপোর্ট  33 views
জাপানে নির্বাচনে তাকাইচির দলের ভূমিধস জয় - Chief TV

জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় অর্জন করেছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি)। এই জয়ের মাধ্যমে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দলটি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে এলডিপি এখন পর্যন্ত ৩৫২টি আসনে জয় পেয়েছে। সরকার গঠনের জন্য যেখানে প্রয়োজন ২৩৩টি আসন, সেখানে এলডিপির প্রাপ্ত আসন তার চেয়ে অনেক বেশি। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়নি।

জয়ের আভাস পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, তার সরকার দায়িত্বশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক নীতিকে অগ্রাধিকার দেবে। তিনি জানান, আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

ব্যক্তিগতভাবে তাকাইচি জনপ্রিয় হলেও এলডিপি সাম্প্রতিক সময়ে তহবিল জালিয়াতি ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারির কারণে চাপে ছিল। দলটির রাজনৈতিক অবস্থান শক্ত করতে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাস পরই তিনি আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন।

সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছ থেকে স্পষ্ট ম্যান্ডেট পেতেই এই নির্বাচন আহ্বান করেছিলেন তাকাইচি। তার এই সাফল্য পূর্ববর্তী দুই প্রধানমন্ত্রীর সময়কার দুর্নীতি বিতর্ক ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিজনিত জনঅসন্তোষের সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র তুলে ধরেছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে এলডিপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার জাপানের ক্ষমতায় রয়েছে। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবও এই আধিপত্যের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

আগাম নির্বাচনকে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেছিলেন, বিশেষ করে সংসদের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো এবং কুমেইতো দলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে পড়ার প্রেক্ষাপটে। তবে তাকাইচির উচ্চ জনপ্রিয়তা নির্বাচনে এলডিপিকে বড় সুবিধা এনে দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তার সরকারের অনুমোদনের হার দীর্ঘ সময় ধরে ৭০ শতাংশের ওপরে ছিল।


Share: