ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধান অংশ নিলেও সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ইরান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খামেনির দাফন ও শেষ বিদায় ঘিরে সপ্তাহব্যাপী শোক কর্মসূচি চলছে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে প্রথম দিনে বিদেশি প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শনিবার থেকে সাধারণ মানুষের জন্য কফিন উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, সৌদি আরব ১৪ মাস আগে ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজায় প্রতিনিধি পাঠালেও এবার খামেনির শেষ বিদায়ে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি। একই অবস্থান দেখা গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর ক্ষেত্রেও।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর এই অনুপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই খামেনির মৃত্যু এবং দাফন ঘিরে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এদিকে খামেনির উত্তরসূরি নিয়েও রাজনৈতিক আলোচনা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।