বরিশালে ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ হাওলাদারের অণ্ডকোষ চেপে ধরে জোরপূর্বক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে নগরীর সদর রোডের টপটেন এলাকার সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দেশজুড়ে আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দেশজুড়ে আলোচিত এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম তছলিম দাবি করেন, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু যুবদলের কোনো নেতা বা কর্মী নন। একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটিকে যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে নগরীর সদর রোডে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেডের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শনিবার রাতে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, চারজন ব্যক্তি আব্দুল আজিজের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে তাকে মারধর এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক দুটি চেক ও একটি সাদা স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ দাবি করেন, লিটু একসময় তাদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরে বিনিয়োগের বিপরীতে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হয়।
জানা গেছে, গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে নগরীর সদর রোডে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেডের কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ হাওলাদারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। শনিবার রাতে ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, চারজন ব্যক্তি আব্দুল আজিজের কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে তাকে মারধর এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে জোরপূর্বক দুটি চেক ও একটি সাদা স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পুরো ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ দাবি করেন, লিটু একসময় তাদের আবাসন ব্যবসার অংশীদার ছিলেন। পরে বিনিয়োগের বিপরীতে জমি হস্তান্তরের মাধ্যমে হিসাব চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হয়।
এরপরও লিটু তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করে আসছিলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অফিসে ঢুকে তাকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেক, একটি সাদা চেক এবং দুটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ব্যাংকে অভিযোগ করায় ওই চেকের মাধ্যমে কোনো অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন এবং আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও জানান।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবাই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ছিলেন এবং আব্দুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ব্যাংকে অভিযোগ করায় ওই চেকের মাধ্যমে কোনো অর্থ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন এবং আদালত মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন বলেও জানান।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মোস্তাফিজুর রহমান লিটু দাবি করেছেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবাই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ছিলেন এবং আব্দুল আজিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।