মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আজই দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের শোডাউন বা বড় জমায়েত না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব ইচ্ছার আলোকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে এই নির্দেশনাটি দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদমাধ্যমকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে এই নির্দেশনাটি দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদমাধ্যমকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান।
প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে সাধারণ নেতাকর্মীদের কোনো ভিড় বা শোডাউন করা হবে না। বিমানবন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কেবল দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সিনিয়র মন্ত্রীগণ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাই উপস্থিত থেকে তাঁকে স্বাগত জানাবেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু হয়। মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি চীনের বেইজিংয়ে যান। সফরসূচি অনুযায়ী, আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু হয়। মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি চীনের বেইজিংয়ে যান। সফরসূচি অনুযায়ী, আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।