ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সব ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়। সেই নিয়ম অনুসারেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রচার শেষ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, “প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে তা শেষ করতে হবে।”
ইসি কর্মকর্তারা জানান, এবারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়। সে হিসেবে এর ৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যেই সব প্রার্থীর সব ধরনের প্রচার বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা ছিল। চলতি নির্বাচনে প্রার্থীরা ২২ ডিসেম্বর থেকে মোট ২০ দিন প্রচারের সুযোগ পেয়েছিলেন।
সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান, ভোটগ্রহণের দিন ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির ধানের শীষ প্রতীকে ২৯১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৫৮ জন প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, যারা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে, জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।