জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে নিপু নামে পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়িয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত নিপু ওই গ্রামের উসমান হারুনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতে বড়বাড়িয়া এলাকার গামারা বিলে বোরো মৌসুমে ব্যবহৃত একটি সেচ পাম্পের পিডিবির এসটি খুঁটি থেকে তার চুরি করতে যান তিনি।
এ সময় অসাবধানতাবশত তারের সঙ্গে লেগে বিদ্যুৎস্পর্শে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন ধানক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সেটি উদ্ধার করে।
এই ঘটনার পেছনে লুকিয়ে আছে এক মাদকাসক্ত যুবকের কারণে একটি পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার করুণ গল্প। স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর কবির জানান, নিহত নিপু দীর্ঘদিন ধরে তীব্র মাদকাসক্ত ছিলেন। ছেলেকে মাদকের অন্ধকার জগত থেকে ফিরিয়ে আনতে তার বাবা নিজের চাষাবাদের জমি বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিন তিনবার তাকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মাদকের মরণনেশা তাকে প্রবাসে থিতু হতে দেয়নি; প্রতিবারই তিন-চার মাস পর তিনি দেশে ফিরে আসতেন।
এই ঘটনার পেছনে লুকিয়ে আছে এক মাদকাসক্ত যুবকের কারণে একটি পরিবারের নিঃস্ব হয়ে যাওয়ার করুণ গল্প। স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর কবির জানান, নিহত নিপু দীর্ঘদিন ধরে তীব্র মাদকাসক্ত ছিলেন। ছেলেকে মাদকের অন্ধকার জগত থেকে ফিরিয়ে আনতে তার বাবা নিজের চাষাবাদের জমি বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিন তিনবার তাকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু মাদকের মরণনেশা তাকে প্রবাসে থিতু হতে দেয়নি; প্রতিবারই তিন-চার মাস পর তিনি দেশে ফিরে আসতেন।
একমাত্র ছেলের পেছনে টাকা ঢালতে ঢালতে একপর্যায়ে বাবা-মা সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েন এবং বর্তমানে জীবিকার তাগিদে তারা ঢাকায় বসবাস করছেন। সরিষাবাড়ী থানার ওসি মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।