মৌলভীবাজারের রাজনগরে নিখোঁজের ১৮ দিন পর নিজ বাড়ির আঙিনার প্রায় ১০ ফুট গভীর মাটির নিচ থেকে গৃহবধূ জায়েদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার দুপুরে রাজনগর উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগান এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সোমবার দুপুরে রাজনগর উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নের করিমপুর চা বাগান এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিপুল সিকদারের নেতৃত্বে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা অভিযানে বাড়ির আঙিনার সিসি ঢালাই ভেঙে গভীর মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি বালির বস্তা দিয়ে চাপা দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই আলমগীর রাজনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে সৌদি আরব চলে গেছেন। তবে তদন্তে তথ্যের অসংগতি ধরা পড়লে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং মরদেহ পুঁতে রাখার স্থানও দেখিয়ে দেন।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই আলমগীর রাজনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী কাউকে কিছু না জানিয়ে সৌদি আরব চলে গেছেন। তবে তদন্তে তথ্যের অসংগতি ধরা পড়লে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং মরদেহ পুঁতে রাখার স্থানও দেখিয়ে দেন।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।