ঢাকার আশুলিয়ার তাজপুরে ছাগলের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির ধারালো দায়ের কোপে রূপবান বেগম (৪৫) নামে এক গৃহবধূ নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) দুপুরে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। নিহত রূপবান বেগম আশুলিয়ার তাজপুর এলাকার জয়নাল সরকারের স্ত্রী। এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত আলিয়া সরকার একই এলাকার মৃত সুলতান সরকারের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে রূপবান বেগমের একটি ছাগল অসাবধানতাবশত প্রতিবেশী আলিয়া সরকারের বাড়ির উঠানে ঢুকে ঘাস খায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজিত হয়ে আলিয়া সরকার প্রথমে ছাগলটিকে কুপিয়ে মেরে ফেলে বলে অভিযোগ ওঠে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে রূপবান বেগমের একটি ছাগল অসাবধানতাবশত প্রতিবেশী আলিয়া সরকারের বাড়ির উঠানে ঢুকে ঘাস খায়। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজিত হয়ে আলিয়া সরকার প্রথমে ছাগলটিকে কুপিয়ে মেরে ফেলে বলে অভিযোগ ওঠে।
পরবর্তীতে রূপবান বেগম এই নিষ্ঠুর ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাতে গেলে আলিয়া সরকারের সঙ্গে তাঁর প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আলিয়া সরকার হিংস্র হয়ে তাঁর হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে রূপবানের পায়ে সজোরে আঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় রূপবান বেগমকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরও বাঁচানো যায়নি তাঁকে; চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও জীবিত থাকা অবস্থাতেই তাঁর স্বামী জয়নাল সরকার বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আলিয়া সরকারকে প্রধান আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে প্রথমে একটি ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা রুজু করা হয়।
রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় রূপবান বেগমকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার জাতীয় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টার পরও বাঁচানো যায়নি তাঁকে; চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও জীবিত থাকা অবস্থাতেই তাঁর স্বামী জয়নাল সরকার বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আলিয়া সরকারকে প্রধান আসামি করে মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে প্রথমে একটি ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা রুজু করা হয়।
তবে রূপবান বেগমের মৃত্যুর পর এখন মামলাটিকে নিয়মিত ‘হত্যা মামলা’য় রূপান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আলিয়া সরকারসহ মামলার এজাহারনামীয় সকল আসামি বর্তমানে বাড়িঘর ছেড়ে পলাতক রয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।