অফিসে একটানা চেয়ারে বসে কাজ করতে করতে অনেকের কোমরে বা নিতম্বে তীব্র যন্ত্রণা হয়। চেয়ার ছেড়ে ওঠার সময় যন্ত্রণায় চোখে অন্ধকার দেখেন অনেকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একইভাবে বসে থাকার কারণে নিতম্বের হাড়ের সন্ধিতে ‘বারসাইটিস’ নামের এক ধরনের মারাত্মক প্রদাহের কারণে এটি হয়ে থাকে।
চিকিৎসকদের মতে, দিনের বেশির ভাগ সময় যদি বসে কাটে, তবে আপনার মেরুদণ্ডে সমস্যা হতে পারে।
এ ছাড়া দীর্ঘক্ষণ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব বা নড়াচড়া না করলে নিতম্বের জয়েন্ট শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে নিতম্বের পেশি ছোট হয়ে যাওয়া (গ্লুটিয়াল অ্যামনেশিয়া) বা বাতের মতো রোগ দেখা দিতে পারে।
কেন নিতম্বের সচলতা (হিপ ফ্লেক্সিবিলিটি) জরুরি?
১। কোমরের ব্যথা কমায়: নিতম্বের পেশি শক্ত হয়ে গেলে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে চাপ পড়ে।
২। পেশি নমনীয় থাকলে কোমরের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা কমে।
৩। শরীরের ভারসাম্য: পেশি সচল থাকলে হাঁটাচলা বা বসার ভঙ্গি ঠিক থাকে এবং শরীর সহজে ক্লান্ত হয় না।
৪। চোটের ঝুঁকি হ্রাস: নিতম্ব সচল থাকলে হাঁটু ও গোড়ালির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না। ফলে বড় ধরনের চোট পাওয়ার ভয় থাকে না।
৫। রক্ত সঞ্চালন: শরীরের নিচের অংশে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই নমনীয়তা অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টানা বসে কাজ না করে মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া এবং হালকা শরীরচর্চা করা এই মরণব্যাধি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।