ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের যুবক মুকুল মালিক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক গৌতম কুমার ঘোষ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নিহত মুকুল মালিকের স্ত্রী ফিরোজা খাতুন, একই গ্রামের বিল্লাল হোসেন এবং পলাতক আলমগীর হোসেন।
আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ৩ আগস্ট রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে মুকুল মালিকের বিরোধ হয়। ওই রাতেই বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ হন। পরে ১৩ আগস্ট গোপীনাথপুর গ্রামের বাঘমারা মাঠের একটি ধানক্ষেতের গর্ত থেকে মাটিচাপা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ বিশ্বাস হরিণাকুন্ডু থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্য ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন। একই সঙ্গে খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।