Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / আন্তর্জাতিক / কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের শিকার বিতর্কিত ভারতীয় ‘খান স্যার’ - Chief TV

কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের শিকার বিতর্কিত ভারতীয় ‘খান স্যার’ - Chief TV

2026-06-05  আন্তর্জাতিক ডেস্ক  43 views
কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের শিকার বিতর্কিত ভারতীয় ‘খান স্যার’ - Chief TV
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে রংপুর ও চট্টগ্রাম দখল করার উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে তীব্র সমালোচিত হওয়া ভারতের বিহার রাজ্যের ইউটিউবার ও শিক্ষক ফয়সাল খান ওরফে ‘খান স্যার’-এর কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিহারের পাটনা জেলার কদমকুয়ান থানার আওতাধীন ‘খান গ্লোবাল কোচিং ইনস্টিটিউট’-এ এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে এনডিটিভি ও হিন্দুস্তান টাইমসসহ বেশ কয়েকটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
 
স্থানীয় পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জানা গেছে, একটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি সরাসরি এই হামলায় অংশ নেন। হামলার পর খান স্যার সাংবাদিকদের জানান, কাছের একটি কোচিং সেন্টারের কিছু অসামাজিক ব্যক্তি তার প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে, নিরাপত্তারক্ষীকে গুরুতর মারধর করেছে এবং সেখানে গুলিও চালানো হয়েছে। কম খরচে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল দেওয়াই এই ক্ষোভের কারণ বলে তিনি দাবি করেন।

এদিকে এই হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খান স্যারের অতীত বিতর্কিত বক্তব্যগুলো নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে তিনি বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হেনেছিলেন। গত ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তাকে উসকানিমূলকভাবে বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশের রংপুর জেলাটি দখল করে নিলে ভারতের যাতায়াতের সরু পথ বা 'চিকেনস নেক' চওড়া হয়ে যাবে এবং পুরো সমস্যার সমাধান হবে।
 
একই ভিডিওতে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নিয়ে উসকানি দিয়ে তিনি দাবি করেন, ত্রিপুরা থেকে সামান্য অংশ দখল করে নিচে নেমে গেলে ত্রিপুরা সরাসরি সমুদ্র পেয়ে যাবে, যার ফলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ বাকি অংশ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং সেখানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও খতম হয়ে যাবে। বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখল নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতার দোহাই দিয়ে দেওয়া তার এমন আগ্রাসী ও উসকানিমূলক বক্তব্য সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল, যা এই হামলার পর আবারও জনসমক্ষে উঠে এসেছে।

Share: