বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইমিং এশিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ব্যক্তির অবস্থান দখল করেছেন। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স সূচক অনুযায়ী, ভারতের প্রভাবশালী শিল্পপতি মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে তিনি এই গৌরব অর্জন করেছেন। বর্তমানে ঝ্যাং ইমিংয়ের মোট সম্পদের পরিমাণ ৯২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার, যা তাকে একই সাথে চীনের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতেও পরিণত করেছে।
ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে প্রথমবার যখন তার সম্পদের হিসাব করা হয়, তখন পরিমাণ ছিল মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর পর থেকে গত কয়েক বছরে তার সম্পদ সাত গুণেরও বেশি বেড়েছে। বাইটড্যান্সের বৈশ্বিক ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে অভাবনীয় গতিতে দ্রুত অগ্রগতিকে ঝ্যাং ইমিংয়ের সম্পদ বাড়ার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টিকটকের ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি বাইটড্যান্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট ‘দৌবাও’ বর্তমানে চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এআই চ্যাটবটে পরিণত হয়েছে, যার মাসিক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩০ কোটিরও বেশি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে বাইটড্যান্সের এই বিপুল বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬ সালে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের বিষয়েও আলোচনা করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝ্যাং ইমিংয়ের এই নাটকীয় উত্থানের ফলে এশিয়ার ধনীদের তালিকায় ভারতের মুকেশ আম্বানি তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন, যার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। তবে ১১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বিশাল সম্পদ নিয়ে ভারতের আরেক ধনকুবের গৌতম আদানি এশিয়ার শীর্ষ ধনী হিসেবে নিজের অবস্থান শক্তভাবে ধরে রেখেছেন। ব্লুমবার্গের তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জাপানের তাদাশি ইয়ানাই এবং মাসায়োশি সন, যাদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন এবং ৭২ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক সম্পদ মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকায় কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।
ঝ্যাং ইমিংয়ের এই নাটকীয় উত্থানের ফলে এশিয়ার ধনীদের তালিকায় ভারতের মুকেশ আম্বানি তৃতীয় স্থানে নেমে গেছেন, যার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। তবে ১১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বিশাল সম্পদ নিয়ে ভারতের আরেক ধনকুবের গৌতম আদানি এশিয়ার শীর্ষ ধনী হিসেবে নিজের অবস্থান শক্তভাবে ধরে রেখেছেন। ব্লুমবার্গের তালিকায় চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন জাপানের তাদাশি ইয়ানাই এবং মাসায়োশি সন, যাদের সম্পদের পরিমাণ যথাক্রমে ৭২ দশমিক ৫ বিলিয়ন এবং ৭২ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক সম্পদ মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকায় কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।
ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী মুকেশ আম্বানি ৮৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে এশিয়ার শীর্ষ ধনী এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গৌতম আদানি, যার সম্পদের পরিমাণ ৮৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। আর ঝ্যাং ইমিং ৬৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে ফোর্বসের বৈশ্বিক ধনীদের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ইলন মাস্ক, যার সম্পদের পরিমাণ ৮২৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ল্যারি এলিসনের সম্পদ ২৯৬ বিলিয়ন ডলার এবং তৃতীয় স্থানে থাকা ল্যারি পেজের সম্পদ ২৯৫ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্টের উত্তরাধিকারী অ্যালিস ওয়ালটন, যার সম্পদের পরিমাণ ১২০ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার এবং বৈশ্বিক ধনীদের তালিকায় তার সামগ্রিক অবস্থান ১৬তম।