ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়াকে হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দেন।
এর আগে জিসান মিয়া সুস্থ নাকি অসুস্থ—তা নিয়ে চলমান বিতর্ক এড়াতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চার সদস্যবিশিষ্ট একটি বিশেষ মেডিকেল বোর্ড গঠন করে। বোর্ডের সদস্যরা বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জিসানকে সম্পূর্ণ সুস্থ বলে মতামত দিলে হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
কুমেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. শাহজাহান জানান, পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফলে জিসান সুস্থ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল থেকে জিসানকে আদালতে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে নাটকীয়তা চলেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে আসামিকে নিয়মিত কাস্টডিতে না নিয়ে সরাসরি বিচারকের কক্ষে নেওয়া হয় এবং তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।