নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গভীর রাতে একটি বাড়িতে ঘরের সবাইকে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যদের ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটার বর্বর হামলায় নারীসহ একই পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন— বাবুল মিয়া (৪২), গিয়াস উদ্দিন (৪০), বিউটি বেগম (৬০) এবং নাজমা (৩০)।
গতকাল শনিবার দিবাগত গভীর রাতে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্ব গোপালনগর এলাকায় এই দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল পুরো পরিবারকে অবরুদ্ধ করে নগদ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুটে নিয়েছে।
ভুক্তভোগী গৃহকর্তা বাবুল মিয়া জানান, রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল তাদের বাড়ির প্রধান গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে এবং চিৎকার করতে নিষেধ করে।
ভুক্তভোগী গৃহকর্তা বাবুল মিয়া জানান, রাত আনুমানিক ২টা থেকে ৩টার দিকে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল তাদের বাড়ির প্রধান গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে এবং চিৎকার করতে নিষেধ করে।
এতে পরিবারের সদস্যরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ডাকাতরা ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।
একপর্যায়ে সবাইকে একটি রুমে আটকে রেখে আলমারি ও ওয়ারড্রব ভেঙে নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৩ ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। ডাকাতদের উপর্যুপরি আঘাতে চারজনই রক্তাক্ত ও জখম হন। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
খবর পেয়ে আজ ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম দ্রুত পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলেন। ওসি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
খবর পেয়ে আজ ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম দ্রুত পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলেন। ওসি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই পুলিশের একাধিক টিম লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ এই সশস্ত্র ডাকাত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে। এই ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।