সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামে বুধবার (৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয়েছে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র তামিম হোসেন (১৪)। সে ওই গ্রামের লস্কোর আলী মোল্লার ছেলে।
তামিমের বড় বোন স্বপ্না খাতুন জানান, ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়িতে আসে তামিম। ওই দিন দুপুরে পরিবারের অন্য ছেলেদের সাথে নদীতে গোসল করতে গেলে পাশের সাত বছরের এক শিশু গভীর পানিতে ডুবে যায়। সাঁতার না জানা সত্ত্বেও তামিম শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। অন্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও তামিমকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয় জেলেদের নৌকা ও জাল নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকেও খবর দেওয়া হয়। ওই দল বিকেল ৩টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তামিমকে উদ্ধার করতে পারেনি।
শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. শাহজাহান আলী মোল্লা বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং রাজশাহীর ডুবুরি দলকে সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালাই। কিন্তু সফল হতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও অভিযান শুরু হবে এবং এবার উদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশা করছি।'
শাহজাদপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করা হয় এবং পুলিশের একটি দল উদ্ধার অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি জানান, পরদিনও পুলিশের দল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবে।
তামিম গাজীপুরের কোনাবাড়িতে গার্মেন্টস শ্রমিক বাবার সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করত। তার নিখোঁজের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু নদীপাড়ে ভিড় জমায়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ।
তামিমের বড় বোন স্বপ্না খাতুন জানান, ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাড়িতে আসে তামিম। ওই দিন দুপুরে পরিবারের অন্য ছেলেদের সাথে নদীতে গোসল করতে গেলে পাশের সাত বছরের এক শিশু গভীর পানিতে ডুবে যায়। সাঁতার না জানা সত্ত্বেও তামিম শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। অন্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও তামিমকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল স্থানীয় জেলেদের নৌকা ও জাল নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলকেও খবর দেওয়া হয়। ওই দল বিকেল ৩টায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তামিমকে উদ্ধার করতে পারেনি।
শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. শাহজাহান আলী মোল্লা বলেন, 'খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং রাজশাহীর ডুবুরি দলকে সঙ্গে নিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালাই। কিন্তু সফল হতে পারিনি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও অভিযান শুরু হবে এবং এবার উদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশা করছি।'
শাহজাদপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করা হয় এবং পুলিশের একটি দল উদ্ধার অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তিনি জানান, পরদিনও পুলিশের দল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবে।
তামিম গাজীপুরের কোনাবাড়িতে গার্মেন্টস শ্রমিক বাবার সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করত। তার নিখোঁজের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত নারী, পুরুষ ও শিশু নদীপাড়ে ভিড় জমায়। স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ।