২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারে এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের অংশ হলেন নেইমার জুনিয়র।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে আশার আলো দেখালেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ বাঁশি বাজতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।
এই হারের ফলে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চারটি বিশ্বকাপ খেলেও একবারও শিরোপা জিততে না পারার রেকর্ডে নাম লেখালেন। এর আগে একই রেকর্ড গড়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা।
নেইমার খেলেছেন ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে। তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০১৪ আসরে ব্রাজিলের হয়ে চতুর্থ স্থান অর্জন। অন্যদিকে থিয়াগো সিলভা অংশ নিয়েছিলেন ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে।
তবে হতাশার মাঝেও একটি গৌরবময় কীর্তি গড়েছেন নেইমার। তিনি পেলের পর দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। নরওয়ের বিপক্ষে করা পেনাল্টি গোলেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
অন্যদিকে পেলে, নিল্তন সান্তোস, লেয়াও, কাস্তিলহো, কাফু, দজালমা সান্তোস ও রোনালদো নাজারিও চার বা তার বেশি বিশ্বকাপ খেললেও প্রত্যেকেই অন্তত একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। সেই তালিকায় নাম তুলতে না পারায় থিয়াগো সিলভার পর নেইমারও ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের একটি হতাশার অধ্যায়ের অংশ হয়ে থাকলেন।
এই হারের ফলে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার ইতিহাসের দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চারটি বিশ্বকাপ খেলেও একবারও শিরোপা জিততে না পারার রেকর্ডে নাম লেখালেন। এর আগে একই রেকর্ড গড়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা।
নেইমার খেলেছেন ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬ বিশ্বকাপে। তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল ২০১৪ আসরে ব্রাজিলের হয়ে চতুর্থ স্থান অর্জন। অন্যদিকে থিয়াগো সিলভা অংশ নিয়েছিলেন ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে।
তবে হতাশার মাঝেও একটি গৌরবময় কীর্তি গড়েছেন নেইমার। তিনি পেলের পর দ্বিতীয় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে চারটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। নরওয়ের বিপক্ষে করা পেনাল্টি গোলেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
অন্যদিকে পেলে, নিল্তন সান্তোস, লেয়াও, কাস্তিলহো, কাফু, দজালমা সান্তোস ও রোনালদো নাজারিও চার বা তার বেশি বিশ্বকাপ খেললেও প্রত্যেকেই অন্তত একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। সেই তালিকায় নাম তুলতে না পারায় থিয়াগো সিলভার পর নেইমারও ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসের একটি হতাশার অধ্যায়ের অংশ হয়ে থাকলেন।