Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

Home Ad
collapse
হোম / জাতীয় / স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া - Chief TV

স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া - Chief TV

2025-12-31  ডেস্ক রিপোর্ট  117 views
স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া - Chief TV

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার পর জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার জিয়া উদ্যানে তার স্বামী, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভোগার পর মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

এর আগে বুধবার বিকেল ৩টার কিছু পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপির শীর্ষ নেতাকর্মীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্র ও চোখের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসা শেষে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। তবে গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে উঠে আসা খালেদা জিয়া টানা ৪৩ বছর বিএনপির নেতৃত্ব দেন। ১৯৮২ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৪ সালের কাউন্সিলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন এবং বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস গড়েন। সামরিক শাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে দৃঢ় ভূমিকার কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি পান।

তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটে গভীর ব্যক্তিগত বেদনার মধ্য দিয়ে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক সংকটে পড়ে বিএনপি। সেই সময়ই খালেদা জিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে দলের নেতৃত্বের ভার গ্রহণ করেন।

দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে প্রতিপক্ষের প্রতি ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকার জন্যও তিনি পরিচিত ছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়—রাজনীতিতে তিনি আদর্শ ও নীতির কথাই বলতে পছন্দ করেন।


Share:

Single Page