চট্টগ্রামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন ও মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও ক্লিপকে কেন্দ্র করে বিষয়টি সামনে এসেছে।
অডিওতে চাঁন্দগাও থানার এক এসআই এবং রাসেদ নামে পরিচিত এক ব্যক্তির স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথন শোনা যায়, যেখানে মামলা ও অর্থ লেনদেন নিয়ে আলোচনা উঠে আসে।
ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে রাসেদের স্ত্রীকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটনের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, তার সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ দেওয়ার পরও রাসেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ওই অডিওতে রাসেদের স্ত্রীকে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটনের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, তার সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ দেওয়ার পরও রাসেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে।
জবাবে এসআই লিটন অর্থ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার না করে বিভিন্ন বিষয়ে ফোনে কথা বলা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন এবং ঈদের পর সরাসরি দেখা করার কথা বলেন।
জানা গেছে, অডিওটি কোরবানির ঈদের সময়কার। রাসেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। তবে এসব মামলাকে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বলেন, জেলে থাকার সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কথোপকথন হয়েছিল। রাসেদের অভিযোগ, মামলা না দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত এসআই লিটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অন্যদিকে, রাসেদকে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে প্রচার করা হলেও এ দাবি নাকচ করেছেন বড় সাজ্জাদ। তিনি বলেন, রাসেদ তার অনুসারী নন এবং তাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। বরং নিজের নাম ব্যবহার করে পুলিশ মামলা বাণিজ্য করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ভাইরাল অডিওটি নজরে আসার পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট এসআইকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে।
ডিসি আমিরুল ইসলাম বলেন, অডিওটি সামনে আসার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
জানা গেছে, অডিওটি কোরবানির ঈদের সময়কার। রাসেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। তবে এসব মামলাকে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বলেন, জেলে থাকার সময় তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কথোপকথন হয়েছিল। রাসেদের অভিযোগ, মামলা না দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত এসআই লিটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অন্যদিকে, রাসেদকে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে প্রচার করা হলেও এ দাবি নাকচ করেছেন বড় সাজ্জাদ। তিনি বলেন, রাসেদ তার অনুসারী নন এবং তাকে তিনি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। বরং নিজের নাম ব্যবহার করে পুলিশ মামলা বাণিজ্য করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ভাইরাল অডিওটি নজরে আসার পর চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (উত্তর) উপ-কমিশনার আমিরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট এসআইকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে।
ডিসি আমিরুল ইসলাম বলেন, অডিওটি সামনে আসার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।