ডিজিটাল সাংবাদিকতার দ্রুত পরিবর্তনশীল এই সময়ে সাহস, নির্ভুলতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে চ্যানেল আই অনলাইন। যাত্রার ১১ বছর পূর্ণ করে ১২ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘Best Emerging Multimedia Journalist’ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন ইবনে সাঈদ অঙ্কুর,যা তার পেশাগত অগ্রযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গতকাল সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় চ্যানেল আই ভবনের ছাদ বারান্দায় অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন ‘অ্যালগরিদম যুগে সাংবাদিকতা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তার হাত থেকেই সম্মাননা গ্রহণ করেন অঙ্কুর।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ভয়হীন স্বাধীন সাহস’যা ডিজিটাল সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা সংবাদকর্মীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। যেখানে উদীয়মান মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক হিসেবে অঙ্কুরের স্বীকৃতি বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে ইবনে সাঈদ অঙ্কুর বলেন, এই অর্জন শুধু একটি সনদ নয়, বরং তার দীর্ঘ পথচলার সংগ্রাম, শেখা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিদিনের চেষ্টা, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতাই তাকে আজকের অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। এই স্বীকৃতি তাকে আরও দায়িত্বশীল ও প্রতিশ্রুতিশীল হয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও জানান তিনি।
অঙ্কুর তার সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং যারা তার ওপর বিশ্বাস রেখেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই অর্জন ব্যক্তিগত নয়, বরং একটি সম্মিলিত যাত্রার ফল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি ও শিক্ষক আফরোজা সোমা, সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ইমরান হোসেনসহ বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা। পুরো আয়োজন সঞ্চালনা করেন চ্যানেল আইয়ের চিফ নিউজ এডিটর মীর মাসরুর জামান রনি।
শেষপর্যন্ত কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদযাপনের সমাপ্তি ঘটে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা চ্যানেল আই অনলাইন শুরু থেকেই বস্তুনিষ্ঠতা, তথ্য যাচাই এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করে আসছে। নতুন বছরে সেই ধারাবাহিকতা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইবনে সাঈদ অঙ্কুরের এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং নতুন প্রজন্মের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকদের জন্য এক অনুপ্রেরণার বার্তা যেখানে প্রতিভা, অধ্যবসায় এবং সততা মিলেই তৈরি হয় সাফল্যের পথ।